বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন

আগষ্টের শেষ দিকে ইবির অনলাইন পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত

  • আপডেট টাইম সোমবার, ১৬ আগস্ট, ২০২১, ৭.১১ পিএম
ঐতিহ্য ও গৌরবের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
ছবিঃইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

ইমানুল সোহান, ইবি- করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। সেই থেকে বন্ধ রয়েছে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। কোভিড শুরুর দিকে বিভাগগুলোতে নামমাত্র অনলাইনে ক্লাস চললেও তা এখন বন্ধ। এদিকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা আটকে আছে দীর্ঘদিন। পরীক্ষা না হওয়ার কারণে বিভিন্ন চাকুরি পরীক্ষা হতে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।

এমতাবস্থায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ অনলাইনে পরীক্ষা দিতে চান। তবে অনলাইন পরীক্ষা নিয়ে অন্য বর্ষের শিক্ষার্থীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

বিজ্ঞাপন

অনলাইনে পরীক্ষার বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম প্রতিবেদকে বলেন, ” অনলাইনে পরীক্ষার বিষয়টি নিয়ে আমরা একটা নীতিমালা করে সব বিভাগে পাঠিয়ে দিচ্ছি। নীতিমালার আলোকে বিভাগগুলো থেকে প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে। সেটা পেলে কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তি আকারে পরীক্ষার রুটিন জানিয়ে দেওয়া হবে। এতে সপ্তাহ দুইয়ের মতো সময় লেগে যাবে।”

গত ২৮ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ও মাস্টার্সের পরীক্ষা সশরীরে ও অনলাইনে গ্রহণের নির্দেশনা দেয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এতে স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলে পরীক্ষার ব্যপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশনা দেন। সে মোতাবেক পরীক্ষার বিষয়ে গত ১৯ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন

সভায় পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি স্ব-স্ব বিভাগের উপর ছেড়ে দিয়েছে কতৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট বিভাগ চাইলে স্বশরীরে কিংবা অনলাইনে পরীক্ষা নিতে পারবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি টেকনিক্যাল কমিটি করে দেওয়া হয়। টেকনিক্যাল কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এবং কমিটির পরামর্শক্রমে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে ওই সভায় অধিকাংশ বিভাগ সশরীরে পরীক্ষা গ্রহণের পক্ষে সুপারিশ করেছিলেন।

সভা পরবর্তীকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করেছে। গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। টেকনিক্যাল কমিটি অনলাইনে পরীক্ষা গ্রহণের প্রক্রিয়া ও পরামর্শ জানতে স্ব-স্ব অনুষদীয় ডিনদের চিঠি দেয়। সেই মেতাবোক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগসমূহ নিজেদের সক্ষমতা ও প্রক্রিয়ার বিষয়গুলো ডিনদের কাছে জমা দেয়।

বিজ্ঞাপন

বিভাগ থেকে ডিন অফিস হয়ে এসব পরামর্শ বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারকদের টেবিলে। গতকাল সেই নীতিমালা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি চূড়ান্ত নীতিমালা করেছে। যা প্রত্যেক বিভাগে পাঠানো হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া শেষ হতে আরও দুই সপ্তাহ লাগবে।

বিজ্ঞাপন

The Campus Today YouTube Channel

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazar_creativenews_II7
All rights reserved © 2019-20 The Campus Today
Exit mobile version