বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরেনাম ::
ধর্ম নিয়ে কটুক্তি করায় নোবিপ্রবির চার সংগঠন থেকে প্রতীক মজুমদারকে বহিষ্কার জবিতে তিথী সরকার কে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান উৎসর্গ ফাউন্ডেশন এর জবি শাখার সভাপতি প্রণয় সাধারন সম্পাদক মেহেদী বশেমুরবিপ্রবি : অপেক্ষামান শিক্ষার্থীদের ভর্তির দাবিতে আমরণ অনশন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা হবে সশরীরে ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটুক্তি,নোবিপ্রবির দুই শিক্ষার্থীর বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মহানবীকে ব্যঙ্গচিত্রের প্রতিবাদে তিতুমীর কলেজে মানববন্ধন ফেনীতে বিজয়া দশমী সম্পন্ন মুসলিম উম্মাহর প্রাণের স্পন্দনকে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র, সারাবিশ্বে তোলপাড় জিবিএমসির পথচলার এক বছর

কম্পিউটার চুরি: প্রশাসন ও নিরাপত্তা রক্ষীদের দায়িত্বহীনতার পরিচয়

  • আপডেট টাইম বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২০, ১২.৪৩ পিএম

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) এর একুশে ফ্রেবুয়ারি লাইব্রেরি ভবন থেকে ৪৯ টি কম্পিউটার চুরি হয়েছে।

তবে এর আগে গতকাল (৯ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে ৯১ টি কম্পিউটার চুরির কথা জানানো হলেও গণনায় ভুল ছিলো জানিয়ে আজ নতুন করে ৪৯ টি কম্পিউটার চুরির ঘটনা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর।

উক্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বশেমুরবিপ্রবি সংসদের সভাপতি রথীন্দ্র নাথ বাপ্পী ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল মিলন এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের মত একটি প্রতিষ্ঠান থেকে এতগুলো কম্পিউটার চুরি হওয়া অনভিপ্রেত। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদাসীনতা এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের দায়িত্বহীনতা এ ঘটনা জন্য দায়ী। এর দায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন- লাইব্রেরীয়ান ও নিরপাত্তার দায়িত্বে থাকা কর্তাব্যক্তিদের উপরই বর্তায়।

তাছাড়া ইদ-উল অাযহার ছুটি চলকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত ৩০ জন গার্ডের ২০ জনই অনুনোমোদিত ছুটিতে ছিলেন। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মচারী হিসেবে চাকরিবিধি আইনে নিয়ম-শৃঙ্খলার পরিপন্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের এহেন অদায়িত্বশীল ও উদাসীন ভূমিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ চুরির মত ঘটনার জন্ম দিয়েছে।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, কম্পিউটার চুরির ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৭ (সাত) সদস্য বিশিষ্ট  একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটির উপর আস্থা রাখছি। আশা করি তদন্ত কমিটি দ্রুততম সময়ে উক্ত ঘটনা সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে চুরির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ রক্ষায় ব্যর্থ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এর অন্যথায় বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে, জনগণের ট্যাক্সের টাকায় ক্রয় করা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ রক্ষায় ব্যর্থ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বাধ্য করবে।

উল্লেখ্য, এর আগে আরও তিন বার বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার চুরি হয়েছে। ২০১৭ সালে ৫০টি, ২০১৮ সালে ৪৭টি ও ২০১৭ সালের আগেও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের বেশ কিছু কম্পিউটার চুরির অভিযোগ জানা গেছে।

The Campus Today YouTube Channel

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazar_creativenews_II7
© All rights reserved © 2019-20 The Campus Today
Theme Download From ThemesBazar.Com