বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন

করোনায় কার্যকর ঔষধ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন

  • আপডেট টাইম বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২০, ১২.১৬ পিএম

ক্যাম্পাস টুডে ডেস্কঃ

করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ এর এখন ও পর্যন্ত কোনো টিকা আবিষ্কার না হলেও কিছু ওষুধ নিয়ে বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন। আগে থেকে বাজারে প্রচলিত কিছু ওষুধের কার্যকারিতার সাথে করোনাভাইরাসের কিছুটা মিল থাকায় আক্রান্ত কয়েকটি দেশে সম্প্রতি কিছু ওষুধ প্রয়োগ করা হয়েছে। এ ওষুধগুলো অনেক রোগীদের সুস্থ করে তুলতে বেশ সহায়তা করেছে।

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়েছে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন নামক একটি ওষুধ। ওষুধটি ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়ে আসছে এ পর্যন্ত। সারা বিশ্বেই ওষুধটির ব্যবহৃত হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে গাইডলাইনের কিছু কিছু ক্ষেত্রে করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহার করতে বলেছে। তবে অবশ্যই ডাক্তার বাবুর পরামর্শ অনুযায়ী এসব ওষুধ ব্যবহার করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সুস্থ করতে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের ব্যবহার অনুমোদন দেন। চীন ও ফ্রান্সের, ভারত সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইতিমধ্যে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে ইনসেপ্টা ও ডেল্টা নামে দুটি ওষুধ কোম্পানি হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন উৎপাদন করে থাকে। ইনসেপ্টা রিকোনিল নামে এবং ডেল্টা রিউমাফ্লেক্স নামে ওষুধটি বাজারজাত করে থাকে। এই দুটি ওষুধ কোম্পানি হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন বিদেশেও রফতানি করে থাকে।

করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে আইভারমেকটিনের সম্ভাব্য ব্যবহার নিয়েও আশার আলো দেখাচ্ছে গবেষকরা। এটা ব্যবহার হয়ে থাকে উকুন নাশক হিসেবেও। সম্প্রতি অস্ট্র্রেলিয়ার মোনাস ইউনিভার্সিটির বায়োমেডিসিন ডিসকভারি ইনস্টিটিউটের একদল গবেষক তাদের ল্যাবরেটরির গবেষণায় দেখেছেন, আইভারমেকটিনের একটি মাত্র ডোজ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভাইরাসের আরএনএকে বাধা প্রদান করে। ফলে মানবদেহে ভাইরাসের বৃদ্ধি ঘটে না। তবে মোনাস ইউনিভার্সিটি করোনাভাইরাস চিকিৎসায় আইভারমেকটিনের অধিকতর গবেষণার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।

আইভারমেকটিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনেস্ট্রেশন (ইউএসএফডিএ) অনুমোদিত একটি অ্যান্টি প্যারাসাইটিক ওষুধ। এটা অনেক দিন থেকে ফাইলেরিয়া ও স্ক্যাবিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বাংলাদেশে বেক্সিমকো ও ডেল্টা ফার্মা নামক দুইটি ওষুধ কোম্পানি এই ওষুধটি উৎপাদনের জন্য লাইসেন্স নিয়েছে।

এছাড়াও এজিথ্রোমাইসিন নামক একটি অ্যান্টিবায়োটিক করোনা চিকিৎসায় বেশ কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। বাংলাদেশের ওষুধ প্রশাসন এই সকল অ্যান্টিবায়োটিকের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়ার জন্য ওষুধ কোম্পানিগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ওষুধ প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তা।

The Campus Today YouTube Channel

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazar_creativenews_II7
All rights reserved © 2019-20 The Campus Today