শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ১২:৩৪ অপরাহ্ন

খোলাহাটি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের গর্ব দিগন্ত বিশ্বাস

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ১৯ আগস্ট, ২০২২, ১২.২৯ এএম

ক্যাম্পাস টুডে ডেস্কঃ দিনাজপুরের ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ বীর উত্তম শহীদ মাহবুব সেনানিবাস কলেজের মেধাবী ও গর্বের ছাত্র দিগন্ত বিশ্বাস। কলেজটি খোলাহাটি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামেই বেশ পরিচিত।   ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষেরগুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার বি ইউনিটে প্রথম হয়েছেন। ভর্তি পরীক্ষায় ৮২.২৫ নম্বর মানবিক বিভাগে পেয়েছেন।জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে পড়ার ইচ্ছা তার। মায়ের অনুপ্রেরণাই ছিল তার সাফল্যের ১ম সোপান।

গেল মঙ্গলবার গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ‘বি’ ইউনিটের ফল প্রকাশের পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তিনি বলেন, রেজাল্ট পাওয়ার পর অনেকটা অবাক হয়েছি। পরীক্ষা ভালো দিয়েছিলাম, কিন্তু ১ম হব এটি ভাবিনি।

বিজ্ঞাপন

দিগন্তের জন্ম ২০০৩ সালে ।তার বাবা মিলন কুমার বিশ্বাস ও মা অর্চনা রানী সরকার। দিনাজপুরের রাজাবাসর গ্রামে বেড়ে উঠেন । পার্বতীপুরের জ্ঞানাংপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক শেষে ভর্তি হন দিনাজপুরের ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ বীর উত্তম শহীদ মাহবুব সেনানিবাসে। একে একে সুনাম ছড়াতে থাকেন উপজেলা-জেলাতেও।

তবে শৈশবটা মোটেও সুখকর ছিল না দিগন্ত বিশ্বাসের। মাত্র ৫ বছর বয়সে ২০০৮ সালে বাবাকে হারান। মায়ের স্নেহে আর বড়-বোনের ভালোবাসায় বেড়ে উঠেছেন তিনি। তিনি বলেন, আজকে আমার এই অর্জনের অনুপ্রেরণা আমার মা। মা আমার সব কাজে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। আর বড় ভাই আর বোন সব সময় পরামর্শ ও সহযোগিতা করেছেন।

বিজ্ঞাপন

দিগন্ত তার পরিবারের ৩য় ও সর্ব কনিষ্ঠ সন্তান। তার বাবা ছিলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। মাও ছিলেন প্রাথমিকের শিক্ষিকা। বড় ভাই রাজশাহী প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা শেষ করে বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপলে চাকরি করছেন এবং বোন একজন আইনজীবী।

তবে এ পর্যন্ত স্মার্টফোন ব্যবহার করেননি দিগন্ত। কথা বলার জরুরি প্রয়োজনে ফিচার ফোন ব্যবহার করতেন তিনি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ইউনিটে ১৫১ তম হওয়ার খবর শোনার পর তার বড় ভাই একটি স্মার্টফোন উপহার দেন।

বিজ্ঞাপন

নবীনদের পরামর্শ দিয়ে দিগন্ত বলেন, যারা ভালো ফল করতে চায় তাদের অবশ্যই প্রথমত সৃষ্টিকর্তার উপর ভরাসা রাখতে হবে। এর পর নিয়ম করে পড়াশোনা করতে হবে। সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো স্মার্টফোন থেকে দূরে থাকা। যেন সময়টা কাজে লাগানো যায়।দিগন্তের মা অর্চনা রানী সরকার বলেন, আমি আজ খুব খুশি। আমি যখন শুনি দিগন্ত প্রথম হয়েছে আমি বিশ্বাস করতে পারিনি।

 

বিজ্ঞাপন

The Campus Today YouTube Channel

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazar_creativenews_II7
All rights reserved © 2019-20 The Campus Today