রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ১২:৩৮ অপরাহ্ন

৯ বছরেও অনার্স পাস করতে পারেননি প্রতিবন্ধী কোটায় ভর্তি হওয়া সুস্থ-সবল ছাত্রলীগ নেতা

  • আপডেট টাইম বুধবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৯, ১.২৩ পিএম
তৌকির মাহফুজ

ইবি টুডে: বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন প্রতিবন্ধী কোটায়। তবে তিনি আর দশজনের মতোই সুস্থ-সবল। দীর্ঘ নয় বছর পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো পাস করতে পারেননি স্নাতক।

এবার এমনই এক অভিযোগ পাওয়া গেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষের (রোল-১০১০১০৯ রেজিস্ট্রেশন নং-৮৮৯) ছাত্র তৌকির মাহফুজের বিরুদ্ধে। তিনি ইবি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। এছাড়াও তিনি বর্তমানে ছাত্রলীগের বিদ্রোহী ও পদবঞ্চিত গ্রুপের অন্যতম শীর্ষ নেতা হিসেবে পরিচিত।

২০১০ সালে যশোর বোর্ডের অধীনে শিশুকুঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৩.৪০ জিপিএ (রোল-৬৪০৫৩৭) পেয়ে উত্তীর্ণ হন। ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষে প্রতিবন্ধী কোটায় ভর্তি হয়ে তিনি স্নাতক চতুর্থ বর্ষে চূড়ান্ত পরীক্ষা ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দিয়েছেন। ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের চতুর্থ বর্ষ স্নাতক (সম্মান) চূড়ান্ত পরীক্ষা ২০১৫ এর ফলে দেখা যায়, তিনি ১০৬ নম্বর কোর্সে অকৃতকার্য হয়েছেন। পরবর্তী সময়ে ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ বর্ষ মান উন্নয়ন (সম্মান) চূড়ান্ত পরীক্ষা ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু তৌকির মাহফুজ, এ মান উন্নয়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি এবং ফলপত্রে তার নামও পাওয়া যায়নি। পরে তিনি বিশেষ মান উন্নয়নের জন্য আবেদন করলেও বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে তা গৃহীত হয়নি।

এ বিষয়ে তৌকির মাহফুজের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি ১০-১১ সেশনে ছিলাম পরে আমি আবার পুনরায় ভর্তি হয়ে ১১-১২ সেশনের সঙ্গে ফাইনাল পরীক্ষা দেই। ফাইনাল পরীক্ষা দেওয়ার পরে দেখা গেছে আমার একটা সাবজেক্টে ফেল আছে। ঐ সাবজেক্টের পরীক্ষা দেওয়ার জন্য আমি ডিপার্টমেন্ট বরাবর একটি আবেদন করেছি। ঐটা হচ্ছে যে, একটা সাবজেক্টে পাস করলে, আমার রেজাল্ট বের হয়ে যাবে।’ তিনি শ্রবণ প্রতিবন্ধী কিনা মুঠোফোনে জানতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং প্রতিবেদকের সঙ্গে সাক্ষাতে কথা বলতে চান।

বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নির্দিষ্ট সময়ের ভেতরে মান উন্নয়ন দিতে না পারায় তার একটি পরীক্ষার জন্য তিনি বিশেষ মান উন্নয়নের জন্য আবেদন করেছিলেন পরে বিষয় অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে গৃহীত হয়নি।

উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক রবিউল ইসলাম জানান, ‘যথাসময়ে মান উন্নয়ন পরীক্ষা না দেওয়ায় পদ্ধতিগতভাবে তার ছাত্রত্ব বাতিল হয়ে গেছে।’

এ বিষয়ে উপাচার্য ড. রাশিদ আসকারী দ্যা ক্যাম্পাস টুডেকে বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবহিত হয়েছি, পরবর্তী সময়ে খতিয়ে দেখে তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

দি ক্যাম্পাস টুডে/ আর এইচ

The Campus Today YouTube Channel

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazar_creativenews_II7
All rights reserved © 2019-20 The Campus Today

নতুন পেজে যুক্ত হতে The Campus Today New Page ক্লিক করুন

আমাদের আগের পেজটি হ্যাকড হয়েছে, নতুন পেজে যুক্ত হতে The Campus Today New Page ক্লিক করুন

আমাদের আগের পেজটি হ্যাকড হয়েছে, নতুন পেজে যুক্ত হতে The Campus Today New Page ক্লিক করুন

This will close in 5 seconds