‘আল্ট্রাসনোগ্রাম’ রিপোর্ট বলছে ‘ছেলে’ অথচ ডাক্তার ধরিয়ে দিলেন ‘মেয়ে’

আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট বলছে ছেলে অথচ ডাক্তার ধরিয়ে দিলেন মেয়ে

ক্যাম্পাস টুডে ডেস্ক- ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর জেনারেল হাসপাতালে সিজারিয়ান অস্ত্রোচারের মাধ্যমে জন্ম নেয়া এক নবজাতক নিয়ে ধূম্রজাল তৈরি হয়েছে। অ’স্ত্রোপ’চারের পর ওই নবজাতককে যে মায়ের কোলে দেয়া হয়েছে তিনি এটি তার সন্তান নয় বলে দাবি করেছেন। বিষয়টি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও।

ওই প্রসূতির নাম দিপ্তী রানী দাস। প্রসূতির আত্নী-স্বজনদের দাবি আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট অনুযায়ী দিপ্তীর ছেলে সন্তান হওয়ার কথা, কিন্তু সিজারিয়ান অপারেশনের পর তাদের কোলে কন্যা শিশু তুলে দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানা যায়, রবিবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর জেনারেল হাসপাতালে পৌর এলাকার পাইকপাড়ার সজিব দাসের স্ত্রী দিপ্তী রানী দাসের সিজারিয়ান অপারেশন হয়। সিজারিয়ান অপারেশনের পর হাসপাতালের সেবিকারা (নার্স) দিপ্তী রানী দাসের মা শোভা রানী বিশ্বাসের কোলে কন্যা শিশু তুলে দিলে তিনি তার নাতিনকে কোলে নিতে আপত্তি করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রবিবার বেলা ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে তিনটি শিশুর জন্ম হয়।

ওই হাসপালে সিজারিয়ান অপারেশন করা প্রসূতিরা হলেন- সদর উপজেলার মোহনপুর গ্রামের শারমীন আক্তার, সদর উপজেলার সুহিলপুর গ্রামের শাহ আলমের স্ত্রী তামান্না আক্তার এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার পাইকপাড়া গ্রামের সজিব দাসের স্ত্রী দিপ্তী রানী দাস। এদিকে শারমীন আক্তার ও তামান্না আক্তার ছেলে এবং দিপ্তী রানী দাস কন্যা শিশুর জন্ম দেন।

দিপ্তীর মা শোভা রানী বিশ্বাস তার নাতিনকে কোলে নেয়ার সময় আপত্তি করেন। তিনি তামান্না আক্তারের স্বজনদের কাছে দেয়া ছেলে সন্তানটি তার নাতি বলে দাবি করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. মো. শওকত হোসেন বলেন, ‘ভুল বোঝাবুঝির কোনো সুযোগ নেই। একটা অস্ত্রোপচারের আধা ঘণ্টা পর আরেকটা হয়েছে। ডাক্তারও ছিলেন আলাদা। তারপরও যদি এ নিয়ে কোনো সন্দেহ থাকে তাহলে মেয়ে শিশুর ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে।’

দ্য ক্যাম্পাস টুডে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ

Leave a Comment