রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৩:১২ অপরাহ্ন

ফেসবুক লাইভে এসে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগ জানালেন শিক্ষিকা

  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৯.১৪ পিএম
ফেসবুক লাইভে এসে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগ জানালেন শিক্ষিকা
ছবি- কবি নজরুল সরকারি কলেজ, ঢাকা।

ক্যাম্পাস টুডে ডেস্কঃ ঢাকার কবি নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকারের বিরুদ্ধে একনায়কতন্ত্র ব্যবস্থা, লুটপাটসহ নানান অভিযোগ তুলেছেন ওই কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রুমা সরকার।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) রাত ৯টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে অধ্যাপক রুমা অভিযোগ করেন।

বিজ্ঞাপন

ফেসবুক লাইভে রুমা সরকার বলেন,কলেজের নানা খাতে কোনো হিসাব না দিয়ে অধ্যক্ষ আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার কলেজের লাখ লাখ টাকা লুটপাট করে নিচ্ছেন। কলেজে শিক্ষামন্ত্রী এসেছেন তা নিয়ে কোনো সাধারণ সভা হয়নি। কত টাকা খরচ হবে, কী কারণে ১৭টি বিভাগ থেকে ৫০ হাজার, ১৭ হাজার, ১৫ হাজার টাকা করে নেয়া হবে? শিক্ষার্থীদের সেমিনারের টাকা কোন কোন খাতে খরচ হবে? ধাপে ধাপে মিটিংয়ের মাধ্যমে সেসব সিদ্ধান্ত নেয়া হবে এবং তা শিক্ষক পরিষদকে জানাতে হবে। কিন্তু কলেজের অধ্যক্ষ কোনো হিসাব দেন না।

লাইভে রুমা আরো বলেন, অধ্যক্ষের অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পায় না। আমি এ কথাগুলো বলায় প্রতিনিয়ত আমায় হেনস্তা করা হচ্ছে। এদিকে অভিযোগ করে বলেন কলেজের উপাধ্যক্ষ ড. খালেদা নাসরীন তাকে চরম অপমান করেছেন। শিক্ষক পরিষদের নির্বাচন হয়েছে ২২ জুন। পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো নতুন কমিটিকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। অধ্যক্ষ কলেজে একনায়কতন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন

ফেসবুক লাইভে তিনি আরো জানান, অধ্যক্ষের কক্ষে তার প্রিয় শিক্ষিকাকে সবসময় সামনে বসিয়ে রাখা হয়। অন্যান্য শিক্ষকরা সেখানে দাঁড়িয়ে থাকেন। আমি ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকি, একবার বসতেও বলেন না তিনি। শিক্ষক পরিষদের নির্বাচনে যুগ্ম সম্পাদক পদে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছি। অথচ আমাকে চেয়ারে বসতে দেওয়া হয় না।

তিনি বলেন, আমি আবৃত্তি করি, উপস্থাপনা করি, বাংলাদেশ বেতারের খবর পড়ি অথচ সেলিম উল্লাহ খোন্দকার কলেজে আসার পর আমাকে কলেজে কোনো সাংস্কৃতিক কাজ করতে দেওয়া হয় না। অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে দরখাস্ত করার পর, কলেজের বর্তমান উপাধ্যক্ষ পূর্বে যেখানে ছিলেন, পার্শ্ববর্তী সেই কলেজে আমাকে বদলি করা হয়েছে। এ ধরনের হয়রানিমূলক বদলি আমি মেনে নেব না।

বিজ্ঞাপন

আনিত অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে কলেজের অধ্যক্ষ আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার বলেন, অর্থকেন্দ্রিক বিষয়গুলো কলেজের অভ্যন্তরীণ। এছাড়া তিনি বাকি বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

Advertisements

বিজ্ঞাপন

The Campus Today YouTube Channel

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazar_creativenews_II7
All rights reserved © 2019-20 The Campus Today